

Picture this: You’re at a restaurant in Dhanmondi or Banani with your partner. The bill arrives. Then the real questions surface—should you handle it, or should you split the bill?
If talking about money with your partner feels uneasy, you’re not alone. Whether you are newlyweds arranging your post-wedding finances or a seasoned couple managing a household, silence or conflict around finances can slowly erode trust.
This is a common phenomenon among couples across Dhaka, Chittagong, and even smaller district towns. The real problem isn’t debt, joint family pressure, or inflation; it’s silence.
According to relationship research, arguments about finances—specifically lack of transparency—are a leading cause of relationship strain globally and within South Asian households. This guide will show you how to replace anxiety with open communication and build a unified financial future.
Money silence is like a slow leak in a boat. You don’t notice it at first, but eventually, the water rises, and the damage becomes impossible to ignore.
Financial secrecy is more common than we admit. In Bangladesh, “financial infidelity” often looks like this:
Never ambush your partner with money talk right after a stressful day at the office or during a traffic jam. Choose your moment wisely.
Think of this like preparing for your annual tax return—you need to know what you’re working with. Complete transparency is your foundation.
Money is a language. You both speak it, but with different dialects. Your values shape every financial decision. Find your shared values before diving into bank statements.
Ask these powerful questions:
Understanding your partner’s background builds empathy. Our childhood experiences shape our current habits.
Explore together:
Why this matters: When you realize why your partner insists on sending money to extended family or why they refuse to take bank loans, it stops being an argument and starts being a discussion.
A couple who reviews their finances together, stays together. During your periodic money dates, bring everything to the table:
Calculate everything neutrally: “Our total debt is ৳X lakhs. Our combined monthly income is ৳Y.”
Living costs vary wildly across Bangladesh. Adjust your expectations based on your city:
| Location | Key Expenses to Watch |
| Dhaka / Chittagong | High house rent, service charges, English medium school fees, car maintenance/CNG costs. |
| District Towns (e.g., Comilla) | Moderate living costs but higher social obligations and travel costs to the capital. |
| Rural / Semi-Urban | Lower daily costs but potential land disputes and agricultural investment risks. |
Build your financial future with clear goals. Break them down by timeframe.
Short-term goals (Next 12 months):
Long-term goals (5-20 years):
Connect every goal to your “why.” You’re not just saving Taka—you’re building the freedom to visit your village home without stress, secure your parents’ health, or travel the world together.
Every family has a unique dynamic. What is the hardest money conversation you’ve had to navigate with your in-laws? Share your experiences in the comments below so we can learn from each other.
About the Author
Abdullah is a finance enthusiast/professional based in Dhaka, passionate about helping Bangladeshi families achieve financial freedom through smarter budgeting and investing.
Disclaimer
The information provided in this article is for educational purposes only and does not constitute professional financial advice. Market conditions in Bangladesh (rates for Sanchaypatra, DPS, etc.) change frequently. Please consult with a certified financial advisor before making any major investment decisions.
কল্পনা করুন: আপনি আপনার সঙ্গীর সাথে ধানমন্ডি বা বনানীর কোনো রেস্তোরাঁয় বসে আছেন। খাওয়া শেষে বিল চলে এল। ঠিক তখনই আসল প্রশ্নটি সামনে আসে—বিলটি কি আপনি দেবেন, নাকি দুজনে ভাগ করে নেবেন?
যদি সঙ্গীর সাথে টাকা-পয়সা নিয়ে কথা বলতে আপনার অস্বস্তি লাগে, তবে জেনে রাখুন আপনি একা নন। আপনি সদ্য বিবাহিত দম্পতি হিসেবে সংসার গোছাচ্ছেন অথবা বহু বছর ধরে সংসার করছেন—এমন যেকোনো পরিস্থিতিতেই অর্থের ব্যাপারে নীরবতা বা দ্বন্দ্ব ধীরে ধীরে সম্পর্কের বিশ্বাস নষ্ট করতে পারে।
ঢাকা, চট্টগ্রাম কিংবা মফস্বল শহর—বাংলাদেশের সব দম্পতির মধ্যেই এটি একটি সাধারণ ঘটনা। আসল সমস্যা ঋণ, যৌথ পরিবারের চাপ বা দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি (Inflation) নয়; আসল সমস্যা হলো ‘নীরবতা’।
সম্পর্ক বিষয়ক গবেষণা অনুযায়ী, অর্থ নিয়ে তর্ক-বিতর্ক—বিশেষ করে স্বচ্ছতার অভাব—বিশ্বব্যাপী এবং দক্ষিণ এশিয়ার পরিবারগুলোতে সম্পর্কের অবনতির অন্যতম প্রধান কারণ। এই গাইডটি আপনাকে দেখাবে কীভাবে দুশ্চিন্তা দূর করে খোলামেলা আলোচনার মাধ্যমে একটি সুন্দর ও সুসংহত আর্থিক ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা যায়।
টাকা নিয়ে নীরবতা নৌকার ছোট ছিদ্রের মতো। শুরুতে হয়তো টের পাওয়া যায় না, কিন্তু ধীরে ধীরে পানি বাড়তে থাকে এবং একসময় সেই ক্ষতি উপেক্ষা করা অসম্ভব হয়ে পড়ে।
আর্থিক গোপনীয়তা আমাদের ধারণার চেয়েও বেশি প্রকট। বাংলাদেশে "আর্থিক বিশ্বাসভঙ্গ" বা ফাইন্যান্সিয়াল ইনফিডেলিটি সাধারণত নিচের বিষয়গুলোর মাধ্যমে দেখা যায়:
গোপন ঋণ: স্বামী বা স্ত্রীকে না জানিয়ে বন্ধু-বান্ধব, পরিবার বা এনজিও (NGO) থেকে ঋণ নেওয়া।
অপ্রকাশিত খরচ: গোপনে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করা অথবা বিকাশ/নগদ-এর মাধ্যমে গোপন লেনদেন করা।
পারিবারিক সহায়তা: সঙ্গীর সাথে আলোচনা না করেই গ্রামের বাড়িতে বাবা-মা বা ভাই-বোনকে টাকা পাঠানো।
গোপন সঞ্চয়: স্ত্রীদের গোপনে টাকা জমানো ("লক্ষ্মীর ভাঁড়") অথবা স্বামীদের স্ত্রীকে না জানিয়ে নিজের নামে জমি বা সম্পদ কেনা।
অফিসের ক্লান্তিকর দিন শেষে বা জ্যাম ঠেলে বাসায় ফেরার পর কখনোই হঠাৎ করে সঙ্গীর সাথে টাকার বিষয় নিয়ে কথা শুরু করবেন না। সঠিক সময় বেছে নিন।
বিষয়টিকে আপনার বাৎসরিক ট্যাক্স রিটার্ন প্রস্তুত করার মতো করে ভাবুন—আপনাকে জানতে হবে আপনার হাতে কী কী আছে। পূর্ণ স্বচ্ছতাই হলো এর ভিত্তি।
অর্থ একটি ভাষার মতো। আপনারা দুজনেই এই ভাষায় কথা বলেন, কিন্তু হয়তো ভিন্ন উপভাষায়। আপনাদের মূল্যবোধই প্রতিটি আর্থিক সিদ্ধান্তকে নিয়ন্ত্রণ করে। ব্যাংক স্টেটমেন্ট দেখার আগে আপনাদের দুজনের যৌথ মূল্যবোধ খুঁজে বের করুন।
এই শক্তিশালী প্রশ্নগুলো জিজ্ঞাসা করুন:
"তোমার কাছে আর্থিক নিরাপত্তা মানে কী: ঢাকায় একটি ফ্ল্যাট, সঞ্চয়পত্র, নাকি গ্রামের বাড়িতে জমি?"
"আমাদের হাতে যদি মাসে অতিরিক্ত ১০,০০০ টাকা থাকে, তবে তুমি তা কীভাবে খরচ করবে?"
"টাকা নিয়ে তোমার সবচেয়ে বড় ভয় কী: চাকরি চলে যাওয়া, বাবা-মায়ের চিকিৎসার খরচ, নাকি বাচ্চাদের ভালো স্কুলে পড়াতে না পারা?"
আপনার সঙ্গীর পটভূমি বা ব্যাকগ্রাউন্ড বোঝা সহমর্মিতা বাড়ায়। আমাদের ছোটবেলার অভিজ্ঞতা বর্তমানের অভ্যাসকে গড়ে তোলে।
একসাথে খুঁজে দেখুন:
আপনি কি এমন কোনো যৌথ পরিবারে বড় হয়েছেন যেখানে একজন আয় করতেন আর সবাই খরচ করতেন?
আপনার বাবা-মা কি সংসারের খরচ ("বাজারের টাকা") নিয়ে ঝগড়া করতেন?
আপনার পরিবার কি ছোটবেলায় কোনো বড় আর্থিক সংকটের মুখোমুখি হয়েছিল?
আপনাকে কি যৌতুক, বিয়ে বা বিপদের জন্য টাকা জমাতে শেখানো হয়েছিল?
কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ: যখন আপনি বুঝতে পারবেন কেন আপনার সঙ্গী আত্মীয়স্বজনকে টাকা পাঠাতে চান অথবা কেন তিনি ব্যাংক লোন নিতে ভয় পান, তখন এটি আর তর্কের বিষয় থাকে না, বরং একটি আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে।
যে দম্পতি তাদের আর্থিক অবস্থা একসাথে পর্যালোচনা করেন, তারা একসাথেই থাকেন। আপনাদের নিয়মিত ‘মানি ডেট’-এ সব তথ্য টেবিলে নিয়ে আসুন:
স্যালারি স্লিপ এবং উৎসব বোনাসের বিস্তারিত।
সব ঋণের বিবরণ (ক্রেডিট কার্ড, পার্সোনাল লোন, হাউজ বিল্ডিং ফাইন্যান্স)।
বিনিয়োগ: সঞ্চয়পত্র, ডিপিএস (DPS), এবং এফডিআর (FDR)-এর নথিপত্র।
বিমা বা ইনস্যুরেন্স পলিসি (লাইফ, হেলথ এবং ডিপিএস)।
সবকিছু নিরপেক্ষভাবে হিসাব করুন: "আমাদের মোট ঋণ X লাখ টাকা। আমাদের দুজনের সম্মিলিত মাসিক আয় Y টাকা।"
অবস্থান অনুযায়ী বাজেট বিবেচনা
বাংলাদেশে এলাকাভেদে জীবনযাত্রার খরচ ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হয়। আপনার শহরের ওপর ভিত্তি করে প্রত্যাশা ঠিক করুন:
| অবস্থান | যে খরচগুলো নজরে রাখা জরুরি |
| ঢাকা / চট্টগ্রাম | অতিরিক্ত বাসা ভাড়া, সার্ভিস চার্জ, ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের ফি, গাড়ির মেইনটেইনেন্স/সিএনজি খরচ। |
| জেলা শহর (যেমন: কুমিল্লা) | জীবনযাত্রার খরচ মাঝারি, কিন্তু সামাজিক আনুষ্ঠানিকতা এবং ঢাকায় যাতায়াতের খরচ বেশি হতে পারে। |
| গ্রাম / মফস্বল | দৈনন্দিন খরচ কম, কিন্তু জমি সংক্রান্ত বিরোধ এবং কৃষি বিনিয়োগে ঝুঁকির সম্ভাবনা থাকে। |
সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে আপনাদের আর্থিক ভবিষ্যৎ গড়ুন। সময়সীমা অনুযায়ী লক্ষ্যগুলো ভাগ করে নিন।
স্বল্পমেয়াদী লক্ষ্য (আগামী ১২ মাস):
জরুরি তহবিলের জন্য ৫০,০০০ থেকে ২ লাখ টাকা সঞ্চয় করা (বাংলাদেশে চিকিৎসার জরুরি প্রয়োজনে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ)।
উচ্চ সুদের হারের ক্রেডিট কার্ডের বকেয়া বা ব্যক্তিগত ঋণ পরিশোধ করা।
৩০,০০০ থেকে ১ লাখ টাকার একটি উৎসব/ঈদ ফান্ড তৈরি করা (যাতে শুধুমাত্র বোনাসের ওপর নির্ভর করতে না হয়)।
মাসে ২,০০০ থেকে ১০,০০০ টাকার একটি ডিপিএস (DPS) বা এসআইপি (SIP) শুরু করা।
দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য (৫-২০ বছর):
ফ্ল্যাটের ডাউন পেমেন্ট বা জমি কেনার জন্য সঞ্চয় (অবস্থানভেদে ২০-৫০ লাখ টাকা)।
সঞ্চয়পত্র, সর্বজনীন পেনশন স্কিম বা মিউচুয়াল ফান্ডের মাধ্যমে অবসরের জন্য তহবিল বা রিটায়ারমেন্ট কর্পাস গঠন।
সন্তানদের জন্য শিক্ষা তহবিল তৈরি করা (বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ২০-৫০ লাখ টাকা)।
বাবা-মায়ের চিকিৎসা ও সহায়তার পরিকল্পনা করা।
প্রতিটি লক্ষ্যের সাথে আপনাদের "কেন" (Why)-কে যুক্ত করুন। আপনারা শুধু টাকা জমাচ্ছেন না—আপনারা মানসিক চাপ ছাড়া গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার স্বাধীনতা অর্জন করছেন, বাবা-মায়ের স্বাস্থ্য নিশ্চিত করছেন, অথবা একসাথে বিশ্বভ্রমণের স্বপ্ন পূরণ করছেন।
প্রতিটি পরিবারের ধরণ আলাদা। শ্বশুরবাড়ির সাথে টাকা-পয়সা সংক্রান্ত কোন কঠিন আলোচনাটি আপনাকে সামলাতে হয়েছে? নিচে কমেন্টে আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করুন যাতে আমরা একে অপরের কাছ থেকে শিখতে পারি।
লেখক পরিচিতি
[আব্দুল্লাহ] একজন ঢাকা-ভিত্তিক অর্থ বিষয়ক উৎসাহী/পেশাজীবী, যিনি স্মার্ট বাজেটিং এবং বিনিয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশি পরিবারগুলোকে আর্থিক স্বাধীনতা অর্জনে সাহায্য করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
ডিসক্লেইমার (দাবিত্যাগ)
এই আর্টিকেলে প্রদত্ত তথ্য শুধুমাত্র শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে দেওয়া হয়েছে এবং এটি কোনো পেশাদার আর্থিক পরামর্শ নয়। বাংলাদেশের বাজারের অবস্থা (সঞ্চয়পত্র, ডিপিএস ইত্যাদির রেট) ঘন ঘন পরিবর্তিত হয়। কোনো বড় বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে দয়া করে একজন সার্টিফাইড আর্থিক উপদেষ্টার (Certified Financial Advisor) পরামর্শ নিন।